অনেক দিন ধরে অ্যাভেঞ্জার্স ৪ নিয়ে লিক এবং স্পয়লার আসছে।  তার মাঝে কোনটি সত্য বা মিথ্যা তা বলা অনেক কঠিন।  তাই আমি এই বিষয় নিয়ে আপনাদের কাছে আজকে কিছু বলবো। তাই হালকার উপর ঝাপসা করে বসে পড়ূন। আজকে অ্যাভেঞ্জার্স ৪ নতুন কিছু জানতে যাচ্ছেন। 

সবার প্রথমে রয়েছে এই লিক হওয়া অ্যাভেঞ্জার্স ৪ আর্ট ছবি । 

যেখানে আমরা অ্যাভেঞ্জার্স ৪ টিমের সকল হিরোদের দেখা যাচ্ছে। কিন্তু এই লিক হয় আর্টটিতে শুধু মাত্র থানসচে বেঁচে যাওয়া হিরোদের  দেখা যাচ্ছে। কিন্তু এর মধ্যে কিছু হিরোদের অনেক আপগ্রেট করা হয়েছে যেমনঃ ধ্বংসকারী হাল্ক, তীরন্দাজ হকআই, ক্যাপ্টেন আমেরিকা এবং ওয়ারমেশিন। অ্যাভেঞ্জার্স ৪ আর্ট স্পয়লার অনুচারে  ধ্বংসকারী হাল্ক থেকে প্রফেসর হাল্ক, তীরন্দাজ হকআই থেকে রোনিন অবতার।
এর সকলের মধ্যে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ গুজব হচ্ছে টেনসকে সূম্পর্ণ কবচ দ্বারা আবৃত তার সাথে রয়েছে একটি তলোয়ার। যেখানে অ্যাভেঞ্জার্স ৪ এর পাগলের এর নাম দিয়েছে ইনফিনিটি তরবারি। 

যেখানে রুসো ব্রাদার্স আরো একটি ফটো সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করেছে, যেখানে লেখা ছিলো "লুক হার্ড"।


যেখানে একটি জিনিস সকলের মধ্যে বিরাজ করছে। তা হল এর মধ্যে রয়েছে একটি জিনিস যা অ্যাভেঞ্জার্স ইনফিনিটি ওয়ারে ও ছিল। এটি হল প্রোটন ক্যানন। যেখানে আয়রন ম্যান ও ওয়ার মেশিন ১৯৯৫ মার্ভেল সুপার হিরো গেমে এই প্রোটন ক্যাননটি ব্যবহার করেছিল। 

এবং এর কিছু দিন পরে প্রোটন ক্যানননের সূম্পর্ণ ছবি দেখা যাই। যার মাধ্যমে বুঝা যাই যে এই প্রোটন ক্যাননটি এক বিরাট ভূমিকা রয়েছে অ্যাভেঞ্জার্স ৪ বা এন্ড গেম মুভিতে। তার জন্য দর্শকদের অপেক্ষা করতে হবে ছবিটি মুক্তি পর্যন্ত। 
হাতিয়ার বা তলোয়ার নিয়ে যখন আলোচনা শুরু হল। যেখানে এক্স হাতিয়ে নাম একটি ছবি লিক হয়েছে। 

আর এই ধরনের হুবহু এক্স ক্যাপ্টেন মার্ভেল  কমিক্স ব্যবহার করে ছিল। তাই বলা যাই এখানে এটি ব্যবহার হতে পারে। তো এত কিছু হাতিয়ার লিক হলো এখন দেখা যাক শক্তিশালী থানসকে কোন হাতিয়ে দিয়ে হারানো যাই। তার জন্য মার্ভেল ছবির দর্শকেরা অধির অপেক্ষায় রয়েছে।


অ্যাভেঞ্জার্স ৪ মুভির কিছু  প্লট ছবি  লিক হয়  ইন্টারনেটে।


যা সব জাগাতেই আলোড়ন ছড়িয়েছে। যেখানে টনি স্টার্ক, আন্ট ম্যান এবং ক্যাপ্টেন আমেরিকা রয়েছে। যেখানে কিছু আলাদা যন্ত্র  রয়েছে। তাই প্রতিবারে যেমন কিছু না কিছু গুজব রটে এখানে ও তাই। যেখানে ফ্যান থিওরি রয়েছে যেখানে টনি স্টার্ক বার টেকনোলজি ব্যবহার করবে। এই টেকনোলজি আমরা অ্যাভেঞ্জার্স সিভিল ওয়ারে দেখেছি, এবং থিওরি হচ্ছে টাইম ট্রাভেল। এই থিওরি অনুচারে আন্ট ম্যান কোয়ান্টাম রেলামের সাহায্যে বাকি অ্যাভেঞ্জার্সদের  সাহায্য করবে। যার মাধ্যমে অ্যাভেঞ্জার্সরে ঘটা অনেক ঘটনা তারা পুনরায় দেখতে পাবে। যা একটি চমৎকার ফ্যান থিওরি যা হতে ওপারে বা নাও হতে পারে। 

অ্যাভেঞ্জার্স ৪ মুভিতে অনেক টাইম ট্রাভেল হতে পারে। যার একটি  শক্ত থিওরি হচ্ছে। 
যেখানে এক্টর এম্মা ফাহরমানকে স্কলেন্টর মেয়ে কেসিলেন্টর ভূমিকা অভিনয় করতে দেখা গেছে। যেখানে অ্যাভেঞ্জার্স ৪ মুভি ইনফিনিটি ওয়ার হওয়ার ৪/৫ বছর পরে হতে পারে। যেখানে আরো একটি ফ্যান থিওরি শুনা যাচ্ছে আন্ট-ম্যান এন্ড দা ওয়াস্প কোয়ান্টাম রেলামের ভিতরে আটকে যাই। যার ফলে স্কট টাইম ভর্টেক্স এর মাধ্যমে বেরিয়ে আছে। এর ফলে স্কট বুঝতে পারে যে, সে প্রায় ৫ বছর আগে চলে আসেছে। যার ফলে স্কট অ্যাভেঞ্জার্সদের সাহায্য করবে টাইম ট্রাভিলে করতে। তো এর মধ্যে কতটা সত্য বা মিথ্যা  রয়েছে তা মুভি দেখার পরে বুঝা যাবে।


যেখানে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আছে টনি স্টার্ক বা আয়রন ম্যান এক ইন্টারভিউর মাধ্যমে যেখানে দেখা যাই তার পিছনে রয়েছে সুরি ল্যাব। যার মাধ্যমে অনেকটা কনফার্ম হয় যাই যে টনি অ্যাভেঞ্জার্স ৪ এর জন্য উগান্ডায় আসতে হবে। খানে রয়েছে তার বিশাল রিসোর্স ভান্ডার।  এর পরে রয়েছে অ্যাভেঞ্জার্স ৪ মুভির প্লট ওভার ভিউ রিভিল করা হয়েছে। যেখানে অনেক ইন্টারেস্টিং এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নজর রয়েছে। যেখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিন রেভিল করা হয়েছে যেমন: রেড স্কেল এবং গামুড়া থনোসের জন্য জীবন বিসর্জন দেওয়া। যার ফলে অ্যাভেঞ্জার্স ৪ মুভিতে টাইম ট্রাভেল এবং কোয়ান্টাম রেলামের বিরাট ভুমিকা রয়েছে। আপনাদের কি মনে হয়। কিন্তু কোয়ান্টাম রেলামের কথাটি মাইকেল ডগলাস একটি রেডিওতে বলে দিয়েছে। যার মাধ্যমে অনেকটা কনফার্ম হয়ে যাই যে অ্যাভেঞ্জার্স ৪ মুভিতে কোয়ান্টাম রেলাম হবেই। যেখানে এর মাধ্যমে আরো একটি  মার্চেন্ডাইজ ফটো লিক করা হয়েছে। যেখানে থর ও রকেটের নতুন সুট রয়েছে। যা কোয়ান্টাম রেলামে প্রবেশ করার সুট। কেননা এটি ডক্টর হেঙ্ক  প্যাম সুটের সাথে অনেকটা মিলে যাই। যেখানে আরো অনেক ছবি লিক হয়।


তার মধ্যে রয়েছে আয়রন ম্যানের বান্ধবী পেপার পতৎস নতুন আয়রন সুট।  তবে এখানে কি কি সুবিধা থাকবে তা এখনো জানা যাইনি। তবে এটি কমিক্সের রেসকিউ আর্মরের সাথে অনেক মিলে যাই। 

যেখানে আর্মর আলোচনা হবে তার মধ্যে যদি টনির কোনো আর্মর থাকবে না তা কি হয় না কি। তাই তার একটি নতুন আর্মর ছবি লিক হয়েছে। যার রেজল্যুশন অনেক ছোটো। তবে রুসো ব্রাদারা এক ইন্টারভিউরতে বলেছে যে টনির আর্ম টেকনোলজি সর্বোচ্চ অবস্থায় পোঁছে  গেছে। যা আমরা অ্যাভেঞ্জার্স ইনফিনিটি ওয়ার মুভিতে দেখতে পেয়েছে। যেখানে টনি নেনো টেকনোলজির মাধ্যমে অনেক কিছু তৈরি করতে এবং নতুন নতুন হাতিয়ার বানাতে। তাই বলা যাই এর উপরে আর কোনো অ্যাডভান্স আর্মর আসবেনা টনির হাতে।  তাই দেখা যাক. তিনি কি সত্যি নতুন কোনো হাতিয়ে তৈরি করে না কি পুরোনোকে জ্বালিয়ে নতুন কিছু বানায়।